অনলাইনে তামাক বিরোধী সেমিনার

  • 28
    Shares


নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে আরো বেশি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সকলের সম্মলিত প্রয়াসের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ধুমপানমুক্ত হবে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪০ সাল নাগাদ ধুমপান ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন তা সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে জুম সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে তামাকবিরোধী বিভাগীয় এক সেমিনারে’ সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. হুয়ায়ুন কবীর খোন্দকার এসব কথা বলেন।

জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন- রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. জাকীর হোসেন।

অনলাইনে অনুষ্ঠিত তামাকবিরোধী এই সেমিনারে অন্যদের মধ্যে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কে.এম. হাফিজ আক্তার, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির, রাজশাহী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সেমিনারে উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংস্থা ‘এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডি’র তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তফা কামাল ও প্রোগ্রাম অফিসার কৃষ্ণা রাণী বিশ্বাস অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে এসিডির পক্ষ থেকে নিয়মিত টাস্কফোর্স কমিটির সভা আয়োজন, ডিডিসিসি সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়টি এজেন্ডাভুক্তকরণ, তামাক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসন তাদের নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়দা প্রদান এবং ক্ষতিকর তামাকপণ্যকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানানো হয়।

অনলাইন এই সেমিনারে উচ্চহারে তামাক উৎপাদনকারী কৃষকদের ওপর ট্র্যাক্স বাড়ানোর পরামর্শ দেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। এসময় জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ স্বাস্থ্য কর্মীদের দিয়ে মহিলাদের উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ধুমপান ও তামাকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির করার বিষয়ে তাগিদ প্রদান করেন।
সেমিনারে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কে.এম. হাফিজ আক্তার বলেন, ‘পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে স্মোকিং জোন করা যেতে পারে।

মোটরযানের মতো ধুমপানবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য পুলিশদের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তামাক কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপন ও কনসার্ট বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, উচ্চহারে তামাকের দাম বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশে যাতে তামাকের দোকান না থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।’ এছাড়া ধূমপানের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরতে মসজিদে খুতবার আয়োজন করা যেতে পারে বলেও তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।

 

বাংলা প্রবাহ ২৪ / এএ ডি

, ,
শর্টলিংকঃ